Latest Update

জেনে নিন স্মার্টফোনকে স্মুথ ও ফাস্ট রাখার কিছু উপায়

Linux Host Lab Ads

স্মার্টফোন , বর্তমান সময়ের জীবনযাত্রায় এক অবিচ্ছেদ্য অংশ .. স্মার্টফোন এর বিভিন্ন ব্যবহারের পাশাপাশি রয়েছে কিছু বিড়ম্বনাও .. মাঝে মাঝেই ডিভাইস স্লো/হ্যাং হয়ে যাওয়াটা খুবই কমন একটা ব্যাপার .. এটা থেকে চিরমুক্তির কোন পথ নেই তবে কিছু ব্যাপার খেয়াল রাখলে আর কিছু ব্যাপার ফলো করলে বেশিরভাগ সময়েই ডিভাইসকে ফাস্ট ও স্মুথ রাখা যায় ..

 

যেসব বিষয় জানা দরকার : 

  • অনেকেই ডিভাইসকে ফাস্ট/বুস্ট করার জন্য কিছু অ্যাপ /বুস্টার/র‍্যাম ক্লিনার ইউজ করে , আমার মতে এগুলো ইউজ না করাই ভালো .. এরা নিজেরাই র‍্যাম দখন করে বসে থাকে , হয়তো স্ক্রিণে শো করে আপনার র‍্যাম ফ্রি করছে আসলে কাজের কাজ কিছুই না .. 

 

Linux Host Lab Offer
  • লঞ্চার , থিম , আইকন প্যাক , Widgets এগুলো বেশিরভাগ সময়েই অনেক র‍্যাম ইউজ করে .. অনেক লঞ্চার হয়তো কিছু কম র‍্যাম ইউজ করে তবুও আপনার র‍্যামের পরিমাণ যদি কম হয় তবে এক্সট্রা লঞ্চার , থিম , আইকন প্যাক , Widgets এগুলো ব্যবহার না করাই ভালো ..

 

  •  রিসেন্ট  প্যানেলে  অতিরিক্ত অ্যাপ জমিয়ে রাখা ডিভাইস স্লো হবার অন্যতম কারণ .. তাই চেষ্টা করবেন প্রয়োজনীয় অ্যাপ ছাড়া অন্যান্য অ্যাপগুলো ব্যবহারের পর রিসেন্ট প্যানেল থেকে ক্লোজ করে দিতে , আর রিসেন্ট প্যানেল একেবারেই পরিষ্কার রাখলে তো আরো ভালো .. 

 

  • দীর্ঘদিন ধরে একটানা কোন ডিভাইস ব্যবহার করলে সেটার উপর অনেক চাপ পড়ে , সেটাতে অনেক অপ্রয়োজনীয় জিনিস জমা হয় .. সেগুলো ক্লিন না করলেও সেট আস্তে আস্তে স্লো হতে থাকে ..

 

  • ডিভাইস রুটেড হলে অনেকেই সোয়াপ র‍্যাম ইউজ করে অথবা র‍্যাম এক্সপ্যান্ডার দিয়ে ভার্চুয়াল র‍্যাম ব্যবহার করে .. মনে রাখতে হবে এসব ব্যাপারে   ভালো মেমরি কার্ড না হলে তেমন কোন সুবিধা পাওয়া যায় না আর এগুলো ইউজ করলেও আহামরি কোন পার্থক্য আপনি লক্ষ্য করতে পারবেন না .. এগুলো ইউজ করতে চাইলে অবশ্যই ক্লাস ১০ এর মেমরি কার্ড ব্যবহার করবেন ..

 

  • অনেক রুটেড অ্যাপ আছে যেগুলো দিয়ে প্রসেসর আন্ডারক্লক/ওভারক্লক করা যায় .. অনেকেই না বুঝে ব্যবহার করতে গিয়ে সেট মারাত্নক ক্লো বানিয়ে ফেলে , তাই রুটেড অ্যাপ ব্যবহার করার আগে ভালো করে জেনে বুঝে তারপর কাজ করুণ ..

 

ডিভাইস ফাস্ট ও স্মুথ রাখতে যা যা অবশ্যই করণীয় : 

 

  • একটানা বেশিদিন সেট চালানো থেকে বিরত থাকুন , ২-৩ দিন পরপর অবশ্যই একবার রিস্টার্ট/রিবুট দিন..

 

  • রিসেন্ট প্যানেলের অ্যাপগুলো নিয়মিত ক্লোজ করুণ..

 

  • ডিভাইসে যদি নিয়মিত নেট ব্যবহার করতে হয় তাহলে মাঝেমাঝেই ব্রাউজারের হিস্টোরি,ক্যাচ,কুকিজ এগুলো ক্লিন করুণ , পাশাপাশি ডিভাইসে জমে থাকা থাম্বনেইল ক্যাচ,জাঙ্ক ফাইল , অপ্রয়োজনীয় ফাইল ক্লিন করুণ ..

 

  • অতিরিক্ত অ্যাপ ইন্সটল করা থেকে বিরত থাকুন .. 

 

  • র‍্যামের পরিমাণ কম হলে একসাথে বেশি কাজ করা থেকে বিরত থাকুন ..

আরও নতুন নতুন সব টিউন পড়তে ভিজিট করুন এখানে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাপচাটি লিখুন * Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.