index

শুরুতে আমার সালাম নিবেন। কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালই আছেন? আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালই আছি।একটু সময় করে দেখুন আপনার কাজে আসতে পারে।

আজ আপনাদের সাথে কোন সফটওয়্যার নিয়ে কথা বলব না।

আজ আপনাদের কিছু টিপস দিব।হয়ত অনেকে জানেন আবার অনেকে জানেন না। যারা জানেন না শুধু মাত্র তাদের জন্য এই post…………………

ভুল হলে সবাই ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন ।

 

gy

 

 

১। ই মেইলের সংযুক্ত ফাইল খোলার আগে তাতে কোনো ভাইরাস আছে কি না, তা জানতে সেটি অ্যান্টি ভাইরাস দিয়ে পরিক্ষা করে নিতে পারেন।

 

২। যদি এক বা একাধিক ফাইল ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে থাকে, তবে তা প্রথমে অ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যার দিয়ে ক্লিন করার চেষ্টা করতে হবে। সব ফাইল যদি পরিস্কার হয় তবে তো ভাল কথা। কিন্তু কিছু ফাইল যদি পরিস্কার না হয়, তবে সেগুলো মুছে(ডিলিট) ফেলতে হবে। ফাইল গুলো যদি আপনার খুব দরকারি হয়, সে ক্ষেত্রে সে সব না মুছে কোয়ারেনটাইন (ভাইরাসে আক্রান্ত ফাইল না মুছে সে গুলোকে অ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যার দিয়ে একটি বিশেষ অবস্থায় রাখা)করে রাখতে হবে। এ অবস্থায় ফাইল গুলো থেকে কোনোভাবেই ভাইরাস ছড়াতে পারেনা।

 

৩। যখন কোনো ফ্লপিডিস্ক,সিডি, অতিরিক্ত হার্ডডিস্ক ,পেন ড্রাইভ, ইত্যাদি ব্যবহার করা হবে ,তখন  ভাইরাস পরিক্ষার (স্ক্যান) স্বয়ংক্রিয় সুবিধাটি সক্রিয় রাখতে হবে।

 

৪। সব সময় অ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যার এর হালনাগাদ সংস্করণটি ব্যবহার করতে হবে এবং অ্যান্টি ভাইরাস হালনাগাদ  করার পর অবশ্যই পুরো কম্পিউটার এটি দিয়ে পরিক্ষা করে নিতে হবে।

 

৫। একই অপারেটিং সিস্টেমে কখনই পাশাপাশি দুটি বা এর বেশী অ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যার রাখা উচিত হবে না।

 

৬। ব্যবহারকারি ইচ্ছা করলে  একাধিক অ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যার দিয়ে কম্পিউটার পরিক্ষা করে নিতে পারেন। কারন অনেক সময় দেখা যায়,কোন একটি অ্যান্টি ভাইরাস কখনো কখনো কিছু ভাইরাসকে শনাক্ত করতে পারেনা।

 

৭। একাধিক অ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যার দিয়ে কম্পিউটার পরিক্ষা করতে চাইলে প্রথমে যে অ্যান্টি ভাইরাস ইন্সটল করেছেন, তা দিয়ে  সম্পূরন কম্পিউটার কে পরিক্ষা করে নিতে হবে এবং পরে সেটি ফেলে দিয়ে (আন ইন্সটল) আরেকটি অ্যান্টি ভাইরাস ইন্সটল করে কম্পিউটার পরিক্ষা করাতে হবে।

৮।  কম্পিউটারে ভাইরাস পরিক্ষা চালানোর জন্য প্রথমে safe মোডে কম্পিউটার চালু করতে হবে। এরপর ভাইরাস পরিক্ষার কাজ শুরু করতে হবে।

 

৯। যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করেন, তারা অবশ্যই হালনাগাদ অ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করবেন।

 

১০। ব্যবহারকারির যদি অসীম (আন লিমিটেড) ডায়ালআপ বা ব্রড ব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ থাকে, তবে ব্যবহারকারি ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বখ্যাত অ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যার নিরমাতার ওয়েবসাইট থেকে বিনা মূল্যে ভাইরাস স্ক্যান করে নেওয়া যেতে পারে।

 

হয়ত আগে এই বিষয়ে অনেক post হয়েছে।তারপর ও আমি করলাম।তার জন্য ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।

সবাই ভাল থাকেন এই কামনায় আজ এই পর্যন্ত ।আল্লাহ হাফেজ ।

ভাল লাগলে কমেন্ট করতে ভুলবেন না।

আপনাদের কমেন্ট পেলে আমরা উৎসাহ পাই।