সামাজিক মিডিয়া বিপণন (Social Media Marketing) কি ?
সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগের সাইট গুলোর পণ্য বিপণন। যেমনঃ

  • ফেসবুক লাইক (Facebook Like)
  • ফেসবুক শেয়ার (Facebook Share)
  • ফেসবুক সাবস্ক্রাইব (Facebook Subscribe)
  • ফেসবুক কমেন্ট (Facebook Comment)
  • ইউটিউব লাইক (YouTube Like)
  • ইউটিউব ভিউ (YouTube View)
  • ইউটিউব সাবস্ক্রাইব (YouTube Subscribe)
  • ইউটিউব কমেন্ট (YouTube Comment)
  • টুইটার ফলো (Twitter Follow)
  • টুইটার রিটুইট (Twitter Re tweet)
  • গুগল প্লাস ওয়ান (Google +1)
  • গুগল প্লাস ফলো (Google Plus Follow)


সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কেন প্রয়োজন ?
আমরা জানি যে, “প্রচারেই প্রসার”। অনলাইনে যত ধরনের আয় আছে তার অধিকাংশ হচ্ছে বিজ্ঞাপন ভিত্তিক অথবা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে বিজ্ঞাপনের সাথে সম্পৃক্ত। অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানেরই ফেসবুক পেইজ থাকে। টুইটার অ্যাকাউন্ট , গুগল প্লাস পেইজ ইত্যাদি থাকে। এগুলর মাধ্যমে তারা তাদের পন্যের প্রচার করে। তাই ফেসবুক পেইজে যত বেশী লাইক থাকবে, তাদের পন্যের বৈশিষ্ট্য তত বেশী জনের কাছে পৌঁছাবে। তাছাড়া, লাইকের ক্ষেত্রে ফেসবুক ব্যাবহারকারীরা তেলা মাথায় তেল দেয়। অর্থাৎ, যে পেইজে অনেক বেশী লাইক আছে সে পেইজে লাইক দেয়। তাই ফেসবুক লাইক, ফলো এগুলো অনেক বেশী প্রয়োজন।

সোশ্যাল মিডিয়া একজন ফ্রীলেন্সার এর কি প্রয়োজন ?
আমরা যারা ওডেস্কে কাজ করি তারা অনেক সময় সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর প্রোজেক্ট পাই। এরকম যে, আমার পেইজে ১০,০০০ লাইক দাও, আমি তোমাকে $100 দেব। অনেকেই এই ধরনের কাজ নেয় না। ভাবে যে, আমি এত লাইক কিভাবে দেব? নিজের আইডি বা বন্ধু-বান্ধবের আইডি দিয়ে আমি বেশী হলে ২০০-৩০০ লাইক দিতে পারি। কিন্তু ১০,০০০ লাইক? এ কি করে সম্ভব? এ কথা ভেবে অনেকেই কাজ নেয়না। আজ আমি এই সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করব।

কিভাবে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং শুরু করবেন?
সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর অনেক সাইট আছে। তার মধ্যে কিছু সাইট থেকে আপনি টাকা দিয়ে লাইক / ভোট / ফলো ইত্যাদি কিনে নিতে পারবেন। কিছু, সাইট এ আপনাকে টাকা দিতে হবে না, কিন্তু আপনি অন্যদের পেইজে লাইক দিয়ে পয়েন্ট সংগ্রহ করতে হবে, ওই পয়েন্ট দিয়ে আপনার নিজের বা অন্য কোন গ্রাহকের পেইজে লাইক নিতে পারবেন। এই সাইটগুলো মুলত বিনিময় পদ্ধতিতে কাজ করে। এর মধ্যে কিছু ভুয়া সাইট ও আছে। বিশেষ করে , কোন সাইট যদি আপনাকে বলে যে, যে পেইজে আপনার লাইক লাগবে, ওই পেইজের এডমিন আইডি লগ ইন দিতে, তাহলে ওই সাইট ১০০ % ভুয়া। কারন, পেইজে লাইক নিতে কখনোই এডমিন আইডি প্রয়োজন হয়না। –

এবার আমরা আমাদের পোস্টের মূল বিষয়ে ফিরে আসি। আজকে আমি আপনাদের যে সাইটে নিয়ে যাব, সেটি একটি মিডিয়া বিপননের সাইট। এই সাইটটি মুলত সামাজিক পণ্য (লাইক, ভোট, শেয়ার, ফলো, ভিউ) ক্রয়-বিক্রয় করে থাকে। সাইটটিটে আপনি অন্যের পেইজে, পোস্টে ইত্যাদিতে লাইক দিয়ে কয়েন (Coin) সংগ্রহ করবেন। প্রতি লাইকে ১ – ১০ কয়েন পর্যন্ত পাবেন।  ১০০০ কয়েনের বিনিময়ে কোম্পানি আপনাকে দেবে ১ ডলার / ৮০ টাকা (প্রায়)। তবে আপনি টাকা না তুলে কয়েন ব্যাবহার করে নিজের পেইজে লাইক বাড়াতে পারেন এবং অন্যের কাছে লাইক বিক্রয় করতে পারেন এবং সেটিই বেশী লাভজনক। কারন, কোম্পানি থেকে কেউ কয়েন কিনতে চাইলে ১০০০ কয়েন কিনতে হয় ১০ ডলার দিয়ে, অর্থাৎ প্রায় ৮০০ টাকা। বাংলাদেশীদের জন্য সবচেয়ে বড় সুবিধা হোল এটি মাত্র ২৫০০ কয়েন হলেই ৩০০ টাকা (শুক্রবার) পেমেন্ট দেয়। অর্থাৎ, আপনি টাকা সরাসরি হাতে পেয়ে যাচ্ছেন। ভালভাবে কাজ করলে ১ দিনেই ২৫০০ কয়েন করা সম্ভব।তাহলে, আর দেরি কেন? এখনি অ্যাকাউন্ট খুলে নিন !!!এবার, আমরা কাজ শুরু করি। প্রথমত, আপনার প্রধান ফেসবুক আইডি দিয়ে কাজ না করাই উত্তম। কারন, প্রধান আইডি দিয়ে এত পেইজে লাইক দিলে অনেক অপ্রয়োজনীয় তথ্য এসে আপনার ওয়াল নোংরা করবে এবং আপনি বিরক্ত হবেন। তাই আমি পরামর্শ দেব ফেক আইডি ব্যাবহার করতে। শুধু ফেসবুক দিয়ে খুব বেশী আয় করতে পারবেন না। আপনাকে আয় বাড়ানোর জন্য অন্যোন্য সোশ্যাল সাইটগুলোতে (টুইটার, গুগল প্লাস, ইউটিউব ইত্যাদি) ফেক অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। সবচেয়ে ভাল হয় আপনি যদি শুধুমাত্র এই সাইটে কাজ করার জন্য আলাদা একটি ব্রাউজার (ফায়ারফক্স) এবং প্রয়োজনে পোর্টেবল ব্রাউজার ব্যাবহার করলে। সেক্ষেত্রে, আপনি ওই ব্রাউজারে সবগুলো ফেক অ্যাকাউন্ট লগ ইন করে রাখবেন, এবং মূল ব্রাউজারে আপনার আসল অ্যাকাউন্টগুলো নিশ্চিন্তে ব্যবহার করে যেতে পারবেন।
এখানে কাজ করার জন্য ফায়ারফক্সের একটি এড অন Greasemonkey ইন্সটল করে নিন।  এবং একটি জাভাস্ক্রিপ্ট Bookmarklet ইন্সটল করে নিন।  এবার আপনার পেইজের নিচে বাম পাশে এরকম একটি টুলবার আসবে।

Bookmarklet by Shareyt

এই টুলবারের মাধ্যমে আপনি ওয়েবসাইটে লাইক এবং গুগল +১ দেবেন। এবার আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে সেটিংস (Settings) অপশনে যান।

Shareyt Settings

এখানে আপনার সামাজিক অ্যাকাউন্ট গুলো নিচের ফরমেট অনুযায়ী প্রবেশ করান, এবং সংরক্ষন করুন।

Shareyt Settings

এবার কাজ শুরু করেন Earn Coins মেন্যু থেকে।

Shareyt Earn Coins

আপনার সবগুলো সোশ্যাল অ্যাকাউন্ট লগ ইন থাকতে হবে কাজ করার সময়। মাঝে মাঝে কয়েকটি সমস্যা করতে পারে। সেগুলো Skip করে চলে যাবেন। প্রতিদিন ৩ বার কাজ করলে ভাল আয় করতে পারবেন। মাঝে মাঝে  Daily Activity Bonus চেক করবেন। যদি Get Coins বাটন থাকে, তবে তা ক্লিক করে আপনার বোনাস নিয়ে নেবেন। আপনি যদি কাজ করতে না চান , আপনার লাইক , ভোট , শেয়ার, ফলোয়ার এগুলো প্রয়োজন হয়। তবে, আপনি কয়েন কিনেও ব্যাবহার করতে পারেন। কোম্পানির রেট তো উপরে উল্লেখ করলাম ১০০০ কয়েন ১০ ডলার। কয়েন ক্রয়-বিক্রয় করার জন্য এই সাইটের ক্রয়-বিক্রয় পেইজটি ব্যাবহার করতে পারেন।

ফেসবুক এ আমাদের পেজ থেকে ঘুরে আসুন সাথে একটা লাইক ফ্রি দিয়েন!

আমার জনপ্রিয় ব্লগ এখানে একবার দেখে আসবেন।

আল্লাহ্‌পাক সকলকে অনেক ভাল রাখুক। আল্লাহ্-হাফেয।