টিএসপি সারের পরিচিতি - পিসি হেল্প সেন্টার (বাংলাদেশ)
Latest Update

টিএসপি সারের পরিচিতি

Linux Host Lab Ads

টিএসপি সারের পরিচিতিঃ টিএসপি বা ট্রিপল সুপার ফসফেট সর্বাধিক ব্যবহৃত ফসফেট সার। রক ফসফেট নামক খনিজ পদার্থের সাথে ফসফরিক এসিডের বিক্রিয়ার মাধ্যমে টিএসপি সার প্রস্তুত হয়। টিএসপি সারে নূন্যতম শতকরা ৪৬ ভাগ মোট ফসফেট (P2O2), শতকরা ৪০ ভাগ পানিতে দ্রবনীয় ফসফেট (P2O2) থাকে। রক ফসফেটের গুণগত মানের উপর ফসফেটের পরিমাণ নির্ভর করে। এ সারের রং সাধারণত ধূসর থেকে গাঢ় ধূসর এবং অম্ল স্বাদযুক্ত ঝাঁঝালো গন্ধ আছে। এ সার দানাদার এবং দানার আকার ডিম্বাকৃতি হতে গোলকার এবং সংরক্ষিত অবস্থায় সাধারণত জমাট বাঁধে না।

 

টিএসপি সার ভেজালের প্রকৃতি ও ধরণঃ বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নানা প্রকারে ভেজাল টিএসপি সার তৈরী করা হয়। এছাড়া অনেক সময় সরকারী নির্দেশে উল্লিখিত পুষ্টি উপাদানের চেয়ে পুষ্টি উপাদান ঘাটতি সম্পন্ন টিএসপি আমদানীর প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। দেশে ভেজাল টিএসপি সার প্রস্তুতের ধরন ও প্রকৃতি সম্পর্কে নিম্নে কতিপয় ধারণা প্রদান করা হলোঃ

Linux Host Lab Offer
  • টিএসপি সারের ব্যাগে দানাদার এসএসপি বা কখনো কখনো দানাদার এফএমপি সার ভর্তি করে টিএসপি সার হিসেবে বাজারজাত করা হয়। উল্লিখিত সারগুলো দেখতে প্রায় একই রকম হওয়ায় সাধারণ কৃষক এটি প্রকৃতপক্ষে আসল টিএসপি কিনা তা সহজে সনাক্ত করতে পারেন না। এ সকল ভেজাল টিএসপি সারে ৪৬% মোট ফসফেটের পরিবর্তে ২০-২৫% মোট ফসফেট পাওয়া যায়।
  • কখনো কখনো জৈব পদার্থের সাথে, জিপসাম, ডলোমাইট ও কালো রং মিশিয়ে সেন্ট্রিফিউজ মেশিনের সাহাযো দানাদার আকারে ভেজাল টিএসপি সার তৈরী করে বাজারজাত করা হয়।
  • অনেক সময় টিএসপি সারের সাথে ২০-২৫% দানাদার এসএসপি বা এফএমপি সার মিশিয়ে টিএসটি সার তৈরী করে বাজারজাত করা হয়।
  • কোন কোন সময় বিদেশ হতে আমদানীকৃত টিএসপি সারের নমুনায় ৪৬% মোট ফসফেটের পরিবর্তে ৩৫-৪১% এবং ৪০% পানিতে দ্রবণীয় ফসফেটের পরিবর্তে ৩২-৩৫% পানিতে দ্রবণীয় ফসফেট পাওয়া যায়।

 

সূত্রঃ ‍মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাপচাটি লিখুন * Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.